ছায়ানটের বর্ষবরণের এবারের বিষয় মানবতা। তাই তাদের বর্ষবরণের গানে, কবিতায় মানবতার মর্মবাণী ফুটে উঠেছে। বাঙালি জাতিকে নতুন করে জেগে ওঠার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বরাবরের মতো এবারও ভোর সোয়া ছয়টার দিকে ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়। আয়োজন শেষ হয় সকাল সাড়ে আটটার দিকে।
এবারও একক গান, সম্মেলক গান, আবৃত্তি ও পাঠ দিয়ে সাজানো হয় ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। পুরো আয়োজনে প্রায় দেড় শ জন শিল্পী অংশ নেন।
ছায়ানটের আয়োজনে শামিল হতে ভোরেই রমনার বটমূলে নানা শ্রেণি, পেশা ও বয়সের মানুষের সমাগম ঘটে। তাদের পরনে ছিল রঙিন পোশাক। মনে উচ্ছ্বাস। তারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করে।
রমনার এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। রমনায় প্রবেশের ক্ষেত্রে করা হয় তল্লাশি।
বাঙালির প্রাণের এই উৎসবকে ঘিরে আজ দিনভর থাকছে নানা আয়োজন। প্রাণের টানে ইতিমধ্যে হাজারো মানুষ ঘর থেকে বেরিয়েছেন। তারা সবাই নানা সাজে সজ্জিত। উল্লাসে-উচ্ছ্বাসে তারা মাতোয়ারা।
0 Comment "ছায়ানটের বর্ষবরণে মানবতার ডাক"
Post a Comment