এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: ছুটির দিনে ঘুরতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছে। এ দিনটিতে কেউ ঘুরতে যান পার্কে কিংবা উদ্যানে, কেউবা আবার ঘুরতে ভালোবাসেন যাদুঘরে।
কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান রয়েছে যেখানে ভ্রমণ করার কৌতূহল মানুষকে সারাক্ষণই তাড়া করে বেড়ায়। আর তেমনই একটি স্থান ‘কানকুন মেরিন পার্ক’ নামক একটি অদ্ভুত যাদুঘর।
অন্যান্য পাঁচ-দশটি সাধারণ যাদুঘর থেকে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ১০ মিটার নিচে মায়াবী এক ভুবন তৈরি করা হয়েছে এই যাদুঘর দ্বারা। পানির নিচে অবস্থিত এ যাদুঘরটিতে রয়েছে ৪০০ মানুষের প্রতিমূর্তি।
যেখানে দেখা যায়, হাতে হাত ধরে গোল হয়ে দাড়িয়ে আছে একদল নারী, কেউ বা শুয়ে আছে, কেউ আবার চালাচ্ছে সাইকেল।
কি অবাক হলেন? মায়াবী নীল জলের জগতে আরও লক্ষ্য করা যায়, কিছু বৃদ্ধ কালো মুখ করে বসে আছে আবার অনেক সন্তান সম্ভবা নারী দাড়িয়ে আছে নগ্ন ভাবে। টেবিলে রাখা টাইপ মেশিনে টাইপ করে চলেছে অনেকে, কেউ আছে টেবিলে শুয়ে আবার কেউ আছে দাঁড়িয়ে।
যাদুঘরটির মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে সমুদ্রের নানা প্রজাতির জীবন্ত মাছ। যা দেখলে মনে হয় পানির নিচে চলমান আলাদা একটি জগত। এমনকি সেখানে অবাধে সাতারও কাটা যাবে। বিরল এই যাদুঘরটি তৈরি করেছেন যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত ভাস্কর জেসন দ্য ক্লেয়ার্স টেইলর।
টেইলর যাদুঘরটির ভাস্কর্যগুলো তৈরির জন্য ব্যবহার করেছেন বিশেষ এক ধরনের সিমেন্ট। এই সিমেন্ট সাধারণ সিমেন্টের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশী শক্তিশালী।

তাছাড়া এ সিমেন্টগুলো সাধারণত প্রবাল বান্ধব। এই সিমেন্ট দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে যাতে ভাস্কর্যগুলোতে খুব সহজেই প্রবাল দানা বাঁধতে পারে।
সেখানে স্থাপন করা ভাস্কর্যগুলোর ওজন প্রায় ১২০ টনেরও বেশি। ভাস্কর্যগুলো পানিতে ভেঙ্গে পড়ার আশংকা নেই। তবে ভাস্কর্যগুলোর বড় শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানকার আবহাওয়া।
কারণ, প্রায়ই সেখানে হ্যারিকেন ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তাণ্ডব চলে! আর এই তাণ্ডবে যে কোনো মুহূর্তে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে স্বপ্নের এই জাদুঘরটি।
এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: ছুটির দিনে ঘুরতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছে। এ দিনটিতে কেউ ঘুরতে যান পার্কে কিংবা উদ্যানে, কেউবা আবার ঘুরতে ভালোবাসেন যাদুঘরে।
কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান রয়েছে যেখানে ভ্রমণ করার কৌতূহল মানুষকে সারাক্ষণই তাড়া করে বেড়ায়। আর তেমনই একটি স্থান ‘কানকুন মেরিন পার্ক’ নামক একটি অদ্ভুত যাদুঘর।
অন্যান্য পাঁচ-দশটি সাধারণ যাদুঘর থেকে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ১০ মিটার নিচে মায়াবী এক ভুবন তৈরি করা হয়েছে এই যাদুঘর দ্বারা। পানির নিচে অবস্থিত এ যাদুঘরটিতে রয়েছে ৪০০ মানুষের প্রতিমূর্তি।
যেখানে দেখা যায়, হাতে হাত ধরে গোল হয়ে দাড়িয়ে আছে একদল নারী, কেউ বা শুয়ে আছে, কেউ আবার চালাচ্ছে সাইকেল।
কি অবাক হলেন? মায়াবী নীল জলের জগতে আরও লক্ষ্য করা যায়, কিছু বৃদ্ধ কালো মুখ করে বসে আছে আবার অনেক সন্তান সম্ভবা নারী দাড়িয়ে আছে নগ্ন ভাবে। টেবিলে রাখা টাইপ মেশিনে টাইপ করে চলেছে অনেকে, কেউ আছে টেবিলে শুয়ে আবার কেউ আছে দাঁড়িয়ে।
যাদুঘরটির মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে সমুদ্রের নানা প্রজাতির জীবন্ত মাছ। যা দেখলে মনে হয় পানির নিচে চলমান আলাদা একটি জগত। এমনকি সেখানে অবাধে সাতারও কাটা যাবে। বিরল এই যাদুঘরটি তৈরি করেছেন যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত ভাস্কর জেসন দ্য ক্লেয়ার্স টেইলর।
টেইলর যাদুঘরটির ভাস্কর্যগুলো তৈরির জন্য ব্যবহার করেছেন বিশেষ এক ধরনের সিমেন্ট। এই সিমেন্ট সাধারণ সিমেন্টের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশী শক্তিশালী।

তাছাড়া এ সিমেন্টগুলো সাধারণত প্রবাল বান্ধব। এই সিমেন্ট দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে যাতে ভাস্কর্যগুলোতে খুব সহজেই প্রবাল দানা বাঁধতে পারে।
তাছাড়া এ সিমেন্টগুলো সাধারণত প্রবাল বান্ধব। এই সিমেন্ট দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে যাতে ভাস্কর্যগুলোতে খুব সহজেই প্রবাল দানা বাঁধতে পারে।
সেখানে স্থাপন করা ভাস্কর্যগুলোর ওজন প্রায় ১২০ টনেরও বেশি। ভাস্কর্যগুলো পানিতে ভেঙ্গে পড়ার আশংকা নেই। তবে ভাস্কর্যগুলোর বড় শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানকার আবহাওয়া।
কারণ, প্রায়ই সেখানে হ্যারিকেন ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের তাণ্ডব চলে! আর এই তাণ্ডবে যে কোনো মুহূর্তে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে স্বপ্নের এই জাদুঘরটি।
0 Comment "পানির নিচে একটি অদ্ভুত যাদুঘর"
Post a Comment