দেলওয়ার হোসাইন : নভেম্বরের মধ্যেই ভোটারদের হাতে বহুল কাক্সিক্ষত উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র
(এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড দেওয়া শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কোনো জাতীয় দিবস সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
এবিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশের সব নাগরিককে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে মেশিন বসানোর কাজ চলছে। খুব শিগগিরই উন্নতমানের এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। যা প্রস্তুত করতে অনেক খরচ হবে। এছাড়া স্মার্ট কার্ডে ভুল থাকলে তা নাগরিকদেরও অস্বস্তিতে ফেলবে। তাই ভুলের সংখ্যা ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্বোধনের সময় নির্ধারণ হওয়ার পরই গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাব।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্মার্ট কার্ড বিতরণে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন করানোর একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এ বছরের শুরুর দিকে আমেরিকা থেকে ১০টি স্মার্ড কার্ড তৈরির মেশিন কেনে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনে স্থাপিত ইসি এনআইডি অনুবিভাগে বসানো হয়েছে। অবশিষ্ট নয়টি মেশিন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে বসানোর কাজ চলছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র হিসেবে স্মার্ট কার্ড বিতরণের জন্য গত ১৪ জানুয়ারি ফ্রান্সের অবার্থুর টেকনোলজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার চুক্তি করে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন-জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে ৯ কোটি ভোটারের হাতে স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, এই স্মার্ট কার্ড তিন স্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে।
দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ৬২ লাখ ভোটার রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ কোটি ২০ লাখের মতো নাগরিকদের লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৪২ লাখ ভোটারকে কোনো কার্ড দেওয়া হয়নি।
(এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড দেওয়া শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কোনো জাতীয় দিবস সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।
এবিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশের সব নাগরিককে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে মেশিন বসানোর কাজ চলছে। খুব শিগগিরই উন্নতমানের এনআইডি বা স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। যা প্রস্তুত করতে অনেক খরচ হবে। এছাড়া স্মার্ট কার্ডে ভুল থাকলে তা নাগরিকদেরও অস্বস্তিতে ফেলবে। তাই ভুলের সংখ্যা ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্বোধনের সময় নির্ধারণ হওয়ার পরই গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাব।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্মার্ট কার্ড বিতরণে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধন করানোর একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এ বছরের শুরুর দিকে আমেরিকা থেকে ১০টি স্মার্ড কার্ড তৈরির মেশিন কেনে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে একটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনে স্থাপিত ইসি এনআইডি অনুবিভাগে বসানো হয়েছে। অবশিষ্ট নয়টি মেশিন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে বসানোর কাজ চলছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র হিসেবে স্মার্ট কার্ড বিতরণের জন্য গত ১৪ জানুয়ারি ফ্রান্সের অবার্থুর টেকনোলজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার চুক্তি করে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন-জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে ৯ কোটি ভোটারের হাতে স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, এই স্মার্ট কার্ড তিন স্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে।
দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ৬২ লাখ ভোটার রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ কোটি ২০ লাখের মতো নাগরিকদের লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৪২ লাখ ভোটারকে কোনো কার্ড দেওয়া হয়নি।
0 Comment "নভেম্বরে ভোটারদের হাতে আসছে স্মার্ট কার্ড"
Post a Comment