নিয়ম-নীতির কোন দিকটি মানা হয়নি?
প্রিভিউ কমিটির সভাপতি ও বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষ বলেন, যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করতে হলে ছবির অভিনয়শিল্পী, কলাকুশলী, কারিগরি দিক, এমনকি শুটিংও দুই দেশে সমানভাবে হতে হবে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে ছবিটি দেখে তাঁদের মনে হয়েছে ছবির কারিগরি দিক, অভিনয়শিল্পী ও শুটিং লোকেশনের দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এ বিষয়ে প্রিভিউ কমিটি জাজ মাল্টিমিডিয়া বরাবর চিঠির মাধ্যমে ব্যাখ্যা চায়। এরই মধ্যে সেই ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি। সেই ব্যাখ্যায় মোটামুটি সন্তুষ্ট হয়ে আগামীকাল ছবিটি সেন্সরবোর্ডে পাঠানোর ছাড়পত্র দিচ্ছে এই কমিটি।
তবে এ ব্যাপারে প্রিভিউ কমিটির সভাপতি বলেছেন, ‘জাজ-এর পক্ষ থেকে একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এরপরও কিছুটা ত্রুটি এখনো আছে। এবারই শেষ সুযোগ। তবে সেন্সর বোর্ডে ছবিটির ভাগ্যে কী আছে, তা আমরা বলতে পারব না।’
তিনি বলেন, ‘আগে কী হয়েছে না হয়েছে, তা আমি জানি না। এরপর থেকে যৌথ প্রযোজনার ক্ষেত্রে নিয়ম-নীতির বাইরে কোনো ছবিই প্রিভিউ কমিটি থেকে ছাড়পত্র পাবে না।’
তবে প্রাথমিকভাবে প্রিভিউ কমিটি থেকে ছাড়পত্র দিলেও ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য চুড়ান্ত পরীক্ষা দিতে হবে সেন্সর বোর্ডের কাছে। সেখান থেকে ছাড়পত্র পেলেই তবে ছবিটির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি মিলবে
0 Comment "হিরো ৪২০-এর মুক্তি অনিশ্চিত?"
Post a Comment