স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর স্বামী বাসা থেকে চলে গেছেন। তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা হচ্ছে—
স্বামী: আজ রাতের খাবার কী?
স্ত্রী: বিষ আছে বিষ!
স্বামী: ঠিক আছে, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়ো। আমার ফিরতে দেরি হবে।
স্বামী: আজ রাতের খাবার কী?
স্ত্রী: বিষ আছে বিষ!
স্বামী: ঠিক আছে, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়ো। আমার ফিরতে দেরি হবে।
বিবাহবার্ষিকী নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: তোমার কি মনে আছে, কাল আমাদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকী?
স্বামী: হুমম, তো কী হয়েছে?
স্ত্রী: এই দিনটি কী করে পালন করব বলো তো?
স্বামী: তুমি কী করবে জানি না, তবে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই মিনিট নীরবতা পালন করব।
স্ত্রী: তোমার কি মনে আছে, কাল আমাদের ১৩তম বিবাহবার্ষিকী?
স্বামী: হুমম, তো কী হয়েছে?
স্ত্রী: এই দিনটি কী করে পালন করব বলো তো?
স্বামী: তুমি কী করবে জানি না, তবে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই মিনিট নীরবতা পালন করব।
বল্টু : স্ত্রীর গলা বসে গেছে, কথা বলতে পারছে না। কী করি, বলুন তো?
ডাক্তার : রাত তিনটায় বাসায় ফিরুন।
ডাক্তার : রাত তিনটায় বাসায় ফিরুন।
কঠিন ঝগড়ার পর স্ত্রী মুখ গোমড়া করে বসে আছে দেখে বিল্টু তার স্ত্রীকে বলল, ‘মানুষ তাকেই থাপড় মারতে পারে, যাকে কিনা প্রচণ্ড ভালোবাসে।’
এ কথা শুনেই বিল্টুর স্ত্রী বিল্টুর গালে কষে দুই থাপড় মেরে বলল, ‘তুমি কি ভাবছ যে আমি তোমাকে ভালোবাসি না! দেখলে এবার, আমি তোমাকে দ্বিগুণ ভালোবাসি।’
এ কথা শুনেই বিল্টুর স্ত্রী বিল্টুর গালে কষে দুই থাপড় মেরে বলল, ‘তুমি কি ভাবছ যে আমি তোমাকে ভালোবাসি না! দেখলে এবার, আমি তোমাকে দ্বিগুণ ভালোবাসি।’
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন—
স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।
স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।
স্বামী-স্ত্রীতে কথা বন্ধ। দু’পক্ষের মধ্যে স্লিপ চালাচালি চলছে ছোট ছেলের মাধ্যমে। ভোরে ট্রেন ধরতে হবে, তাই স্বামী লিখলেন- ‘ভোর সাড়ে
তিনটায় জাগিয়ে দিও।’ যথারীতি ছোট ছেলের মাধ্যমে স্লিপ পৌছাল স্ত্রীর হাতে।
পরদিন ঘুম যখন ভাঙল, তখন সাতটা। স্বামী ধড়মড় করে উঠে দেখেন মাথার কাছে স্ত্রীর স্লিপ পড়ে রয়েছে। তাতে লেখা- এখন সাড়ে তিনটা বাজে। উঠে ট্রেন ধরতে যাও।
তিনটায় জাগিয়ে দিও।’ যথারীতি ছোট ছেলের মাধ্যমে স্লিপ পৌছাল স্ত্রীর হাতে।
পরদিন ঘুম যখন ভাঙল, তখন সাতটা। স্বামী ধড়মড় করে উঠে দেখেন মাথার কাছে স্ত্রীর স্লিপ পড়ে রয়েছে। তাতে লেখা- এখন সাড়ে তিনটা বাজে। উঠে ট্রেন ধরতে যাও।
পোষা কুকুরকে পেছনের দুই পায়ে দাঁড়াতে
শেখানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
বল্টু। দেখে বল্টুর বৌ মন্তব্য করল, ‘কাজ হবে না।’
—চুপ করো! শুরুতে তুমিও কথা শুনতে না!
শেখানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
বল্টু। দেখে বল্টুর বৌ মন্তব্য করল, ‘কাজ হবে না।’
—চুপ করো! শুরুতে তুমিও কথা শুনতে না!
বিল্টু গ্রামে তার মায়ের কাছে ফোন করেছে—
বিল্টু: মা, একটা সুখবর আছে।
মা: বলিস কি! তাড়াতাড়ি বলে ফেল।
বিল্টু: এখন থেকে আমরা দুই জন থেকে তিন জন হয়ে গেছি, মা।
বিল্টু: এই সুখবরটা এত দেরিতে বললি কেন? তা
ছেলে না মেয়ে হয়েছে রে?
বিল্টু: ওসব কিছু না। আমার বউ আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে, মা!
বিল্টু: মা, একটা সুখবর আছে।
মা: বলিস কি! তাড়াতাড়ি বলে ফেল।
বিল্টু: এখন থেকে আমরা দুই জন থেকে তিন জন হয়ে গেছি, মা।
বিল্টু: এই সুখবরটা এত দেরিতে বললি কেন? তা
ছেলে না মেয়ে হয়েছে রে?
বিল্টু: ওসব কিছু না। আমার বউ আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে, মা!
সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও
এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা
থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও
এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা
থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’
স্ত্রী: এ্যাই, খেলার চ্যানেল পাল্টাও, আমি এখন
রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।
স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি
কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?
স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ
কোন আক্কেলে?
রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।
স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি
কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?
স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ
কোন আক্কেলে?
‘তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো?’ একদিন সে
জিজ্ঞেস করল স্বামীকে।
‘এ ধরনের প্রশ্ন করে তুমি কিন্তু আমাকে অপমান করছ।’ আহত স্বরে বলল স্বামী, ‘এত দিন একসঙ্গে ঘর করার পর…।’
‘তাহলে তুমি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে দেখাও। …
না, চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে না। পুরুষেরা এ কাজ খুব পারে। তারচেয়ে বলো, আমার মনমেজাজ সব সময়
ভালো থাক, তা কি তুমি চাও?’
‘অবশ্যই চাই।’
‘মুখের চামড়ার সুন্দর রং?’
‘নিশ্চয়ই।’
‘কাজ থেকে ফিরে এসে যেন ক্লান্ত হয়ে না পড়ি?’
‘অবশ্যই।’
‘তুমি কি চাও, আমার পরনে সব সময় লেটেস্ট ফ্যাশনের পোশাক থাক?’
‘চাই।’
‘আমার স্বামীর কারণে আমাকে যেন লজ্জা পেতে না হয়, বরং তাকে নিয়ে যেন গর্ব করতে পারি?’
‘খু-উ-ব চাই।’
‘যেন সে আমাকে নিজের মার্সিডিজে চড়িয়ে থিয়েটারে নিয়ে যায়?’
‘চাই, কিন্তু শুধু আমার ভালোবাসা দিয়ে কি এত কিছু সম্ভব হবে?’
‘আমি কিন্তু তোমার কাছে অসম্ভব কিছু দাবি করছি না। তবে এই শুভকামনাগুলো তোমার যদি আমার জন্য সত্যিই থেকে থাকে এবং তুমি যে রকম বলছ, যদি সে রকম আমাকে ভালোবাসো…।’
‘অবশ্যই বাসি।’
‘তাহলে এক্ষুনি আমাকে ডিভোর্স দাও।’
জিজ্ঞেস করল স্বামীকে।
‘এ ধরনের প্রশ্ন করে তুমি কিন্তু আমাকে অপমান করছ।’ আহত স্বরে বলল স্বামী, ‘এত দিন একসঙ্গে ঘর করার পর…।’
‘তাহলে তুমি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে দেখাও। …
না, চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে না। পুরুষেরা এ কাজ খুব পারে। তারচেয়ে বলো, আমার মনমেজাজ সব সময়
ভালো থাক, তা কি তুমি চাও?’
‘অবশ্যই চাই।’
‘মুখের চামড়ার সুন্দর রং?’
‘নিশ্চয়ই।’
‘কাজ থেকে ফিরে এসে যেন ক্লান্ত হয়ে না পড়ি?’
‘অবশ্যই।’
‘তুমি কি চাও, আমার পরনে সব সময় লেটেস্ট ফ্যাশনের পোশাক থাক?’
‘চাই।’
‘আমার স্বামীর কারণে আমাকে যেন লজ্জা পেতে না হয়, বরং তাকে নিয়ে যেন গর্ব করতে পারি?’
‘খু-উ-ব চাই।’
‘যেন সে আমাকে নিজের মার্সিডিজে চড়িয়ে থিয়েটারে নিয়ে যায়?’
‘চাই, কিন্তু শুধু আমার ভালোবাসা দিয়ে কি এত কিছু সম্ভব হবে?’
‘আমি কিন্তু তোমার কাছে অসম্ভব কিছু দাবি করছি না। তবে এই শুভকামনাগুলো তোমার যদি আমার জন্য সত্যিই থেকে থাকে এবং তুমি যে রকম বলছ, যদি সে রকম আমাকে ভালোবাসো…।’
‘অবশ্যই বাসি।’
‘তাহলে এক্ষুনি আমাকে ডিভোর্স দাও।’
একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার আগে ৪০ মিনিট ধরে
আইব্রো পেনসিল, আই শ্যাডো, আই লাইনার,
মাশকারা, টোনার, ব্লাশ ও লিপস্টিকের যথাযথ সদ্ব্যবহার করে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর দিকে ঘুরে
তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, দেখো তো, আমাকে
ন্যাচারাল দেখাচ্ছে কি না!
আইব্রো পেনসিল, আই শ্যাডো, আই লাইনার,
মাশকারা, টোনার, ব্লাশ ও লিপস্টিকের যথাযথ সদ্ব্যবহার করে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর দিকে ঘুরে
তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, দেখো তো, আমাকে
ন্যাচারাল দেখাচ্ছে কি না!
অভিযোগের সুরে স্ত্রী স্বামীকে বলল, বিয়ের আগে তুমি বলতে, আমি নাকি তোমার ‘সূর্য’। তাহলে এখন প্রতিদিন বারে গিয়ে বিয়ার খাও কেন?
—কী আশ্চর্য! সূর্যের গরমে তেষ্টা পাবে, সেটাই স্বাভাবিক না?
—কী আশ্চর্য! সূর্যের গরমে তেষ্টা পাবে, সেটাই স্বাভাবিক না?
সমুদ্রতীরে মাছ ধরছে এক দম্পতি। স্বামীর বড়শিতে টোপ গিলল এক বিশাল স্যামন মাছ। কিন্তু হুইল গুটিয়ে সেটাকে তীরে আনার আগেই সুতো-মাছ সব জড়িয়ে গেল সমুদ্র শৈবালের স্তূপে। স্বামী চিত্কার করে স্ত্রীকে বললেন, ‘ওগো, জলদি করো! ঝাঁপ দাও! সাঁতরে চলে যাও ওই শ্যাওলাগুলোর কাছে! ডুব দিয়ে সুতোটা ছাড়াও। নইলে হাঙরগুলো মাছটাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে!’
স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: আচ্ছা, যদি আমি মরে যাই তাহলে তুমি কী করবে?
স্বামী: আমি পাগল হয়ে যাব।
স্ত্রী: তুমি কি পরে আবার বিয়ে করবে?
স্বামী: পাগল তো সবকিছুই করতে পারে, তাই না?
স্ত্রী: আচ্ছা, যদি আমি মরে যাই তাহলে তুমি কী করবে?
স্বামী: আমি পাগল হয়ে যাব।
স্ত্রী: তুমি কি পরে আবার বিয়ে করবে?
স্বামী: পাগল তো সবকিছুই করতে পারে, তাই না?
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে কথা হচ্ছে—
স্বামী: তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।
স্ত্রী: তাই নাকি!
স্বামী: জানো, তোমার জন্য আমি পৃথিবীর শেষ
সীমানা পর্যন্ত যেতে পারি।
স্ত্রী: হুমম, কিন্তু কথা দাও, আমার জন্য হলেও তুমি সেখানে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে।
স্বামী: তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি।
স্ত্রী: তাই নাকি!
স্বামী: জানো, তোমার জন্য আমি পৃথিবীর শেষ
সীমানা পর্যন্ত যেতে পারি।
স্ত্রী: হুমম, কিন্তু কথা দাও, আমার জন্য হলেও তুমি সেখানে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থেকে যাবে।
স্ত্রী : আমি যা বলি তা তোমার এক কান দিয়ে
ঢোকে অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে যায়।
স্বামী : আর আমি যা বলি তা তোমার দুইকান দিয়ে ঢোকে আর খই ফোটার মতো মুখ দিয়ে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে আসে।
ঢোকে অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে যায়।
স্বামী : আর আমি যা বলি তা তোমার দুইকান দিয়ে ঢোকে আর খই ফোটার মতো মুখ দিয়ে তৎক্ষণাৎ বেরিয়ে আসে।
#সবগুলোই কালেক্ট করা www.esobondhu.tk

1 Response to "একসাথে একগাদা জোক্স"
hhhhhhhhh
Post a Comment